
করোনা প্রতিরোধে হাইকোর্টের ৫ নির্দেশনা
স্টাফ রিপোর্টার:
প্রাণঘাতী করোনা প্রতিরোধে সরকারকে ৫ দফা মৌখিক নির্দেশনা দিয়েছে হাইকোর্ট। সোমবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের দ্বৈত বেঞ্চ এই নির্দেশনা দেন।
আদালতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষে প্রতিবেদন তুলে ধরেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। এ সময় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ নিয়ে অসন্তুষ্টিও প্রকাশ করেছে হাইকোর্ট।
করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, তা জানাতে হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ি সোমবার প্রতিবেদন জমা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে এসব পদক্ষেপ যথেষ্ট নয় বলে অসন্তোষ প্রকাশ করে হাইকোর্ট।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক ডা. মো.আমিনুল হাসানের দেওয়া এই প্রতিবেদন উপস্থাপনের পর আদালত নির্দেশনা দিয়ে বলেন, করোনাকে কেন্দ্র করে দেশে মাস্কসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের দাম বেশি না নিতে পারে এবং মজুদ করতে না পারে সে জন্য প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হবে।
২. আইইডিসিআর প্রতিদিনকার সংবাদ সম্মেলন নিয়ে আদালত বলেন, আইইডিসিআর এর একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি প্রেস ব্রিফিং করেন। ওনার বক্তব্য আরও পজিটিভ হওয়া বাঞ্ছনীয়। সারা পৃথিবীর কথা বলেন। মনে হয় আমাদের দেশেও ধেয়ে আসছে। এটা যেন কোনোভাবে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি না করে। কারণ মানুষ যথেষ্ট সচেতন। মানুষের কাছে মোবাইল আছে। মানুষের কাছে সব খবর যায়। এগুলো ওনাদের দরকার নেই। ওনারা কি করছেন, মানুষ কিভাবে সচেতন হবে এবং কি করা দরকার সে বিষয়গুলো মানুষকে জানানো দরকার। আর সরকার কি পদক্ষেপ নিয়েছেন সেটা জানানো দরকার।
৩. প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে এমনভাবে সচেতনতামূলক প্রচার করতে হবে যেন মানুষের দৃষ্টিগোচর হয়।
৪. আমাদের দেশের অনেকে বিদেশে থাকেন। শ্রমিকরা বিভিন্ন দেশে যায়। তাদের সার্টিফিকেট দেওয়ার দরকার হলে যেন সমস্যা না হয়। সেটি খেয়াল রাখতে হবে। আর যারা বিদেশ থেকে আসবেন তাদের ক্ষেত্রেও সার্টিফিকেট আছে কিনা সেটা দেখতে হবে এয়ারপোর্টগুলোতে।
৫. বিমান, স্থল ও নৌবন্দরে পর্যাপ্ত স্ক্যানারের ব্যবস্থা করতে হবে।
এসময় আদালত বলেন, বিষয়টি নজরে রাখলাম। পরবর্তীতে আগামী ৫ এপ্রিল পরবর্তী আদেশের জন্য রাখা হলো।
চিত্রদেশ //এফ//