স্বাস্থ্য নিয়ে উদাসীনতা (শেষ পর্ব)- কানিজ কাদীর
শরীরে যাতে কোন উপাদানের ঘাটতি না হয় সে খেয়াল রাখতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, শাক-স্ববজি, ফলমূল, খেতে হবে। পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। যারা শরীরে রোদ লাগাতে পারেন না তারা অন্য উৎস থেকে অবশ্যই ভিটামিন ‘ডি’ এর ঘাটতি পূরণ করতে হবে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সাপ্লিম্যান্ট খেতে হবে নিয়মিত। যাদের ডায়াবেটিস, ব্লাড প্রেসার ও অন্যান্য রোগ আছে তাদের নিয়মিত ডাক্তারের চেক আপে থেকে প্রয়োজনীয় ওষুধ খেতে হবে। ডায়াবেটিস রোগীদের ওষুধের পাশাপশি পর্যাপ্ত ব্যায়াম, বিশ্রাম, ঘুম নিয়মকানুন মানা ও পরিমিত খাবারের অভ্যাস খুব গুরুত্বের মাথে মানতে হবে। তাছাড়া বয়স ৪০ পার হলে নিজের প্রতি সচেতনতা একটু বাড়িয়ে দিতে হবে। রছরে অন্ততঃ ২ বার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা (Investigations) করাতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। নিজের আত্ম বিশ্বাস বাড়াতে নিজেকে নিজেই প্রস্তুত করতে হবে শারিরীক ও মানসিকভাবে। দৈনন্দিন কাজ কর্মের পাশাপাশি নিয়মমত খাওয়া, ব্যায়াম,গোসল করা,ইবাদত করা,পড়াশোনা করা ইত্যাদি কাজগুলো সঠিক সময়ে নিয়মিত অভ্যাস করলে জীবন ও সুশৃংখল হয়। বয়স বাড়লেও নিজেকে শারিরীকভাবে অনেক সুস্থ রাখা যায়। সব কিছুর পাশাপাশি নিজের ইচ্ছা ও মনোবল অত্যন্ত জরুরী।
বয়স বাড়বে কিন্তু শরীর ভালো থাকবেঃ
- লবণ কম খাবেন।
- মিষ্টি জাতীয় খাবার কম খাবেন।
- সেদ্ধ ডিম খাবেন।
- সাদা চিনি খাবেন না।
- গরুর মাংস মাসে দুইবার।
- তৈলাক্ত খাবার কম খাবেন।
- মুরগীর মাংস মাসে দুইবার
- ফল খান।
- ছোট মাছ/ বড় মাছ প্রতিদিন।
- কলা খান প্রতিদিন।
- ভাত কম, সবজি বেশি।
- পানি ৮-১০ গ্লাস।
- সপ্তাহে চারদিন ব্যায়াম করুন।
সুস্থ থাকলেও বছরে একবার যে টেস্টগুলো করবেনঃ
১. লিভারের জন্য লিভার ফাংশন টেস্ট।
২. কিডনির জন্য সিরাম ক্রিয়েটিনিন টেস্ট।
৩, রক্তের সিবিসি টেস্ট।
৪. হার্টের জন্য ইসিজি।
৫. ফুসফুসের জন্য বুকের এক্স-রে।
৬. ব্লাড সুগার টেস্ট (ডায়াবেটিক ঝুঁকি যাচাই করতে)।
৭. লিপিড প্রোফাইল, টিজি (ট্রাইগ্লিসারাইড), কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখার জন্য।





