স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক-কানিজ কাদীর
নারী-পুরুষ মিলেই এ সমাজ তেরি হয় ।মনুষ মাত্রেই ভালোবাসা চায়। মানুষ তার কাছের মানুষ, আপনজনকে ভালোবাসবে এটাইতো হওয়া উচিত। একজন পুরুষের যেমন ভালোবাসা পাবার অধিকার আছে, একজন নারীরও তেমনি আছে। যখন দুজন নারী পুরুষ, সম্পর্কে আবদ্ধ হয় তখন দুজনেরই দায়িত্ব আছে সম্পর্কটিকে সুন্দর রাখার। দুজন বিবাহিত নারীপুরুষ একে অপরের পরিপূরক। কোরআনে বলা আছে “তোমরা একে অপরের পরিচ্ছদ স্বরূপ”। একজন দায়িত্বশীল নারী তার স্বামীর কাছ থেকে সাংসারিক দায়িত্বের পাশাপাশি একটু সময়, সহানুভূতি, গুরুত্ব, সম্মান আশা করতেই পারে। তেমনি একজন পুরুষেরও নারীর কাছে চাওয়ার আছে। এই দুজনের চাওয়া পাওয়া শ্রদ্ধাবোধের জায়গাটা থেকেই কিন্তু ভালোবাসা তৈরি হয় এবং সংসারেও আনন্দ থাকে। বেশিরভাগ পুরুষ নারীকে শুধু Dominate ক
(কর্তৃত্ব) করতে চায়। স্নেহ, ভালোবাসা, সহানুভূতি দিতে চায় না, সহযোগিতা পরায়ণ হতে চায় না। অনেক পুরুষের চরম উদাসীনতা, দুর্ব্যবহার, দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ, অতিরিক্ত স্বার্থপর আচরণ একটি সংসারকে অশান্তিতে পরিণত করে। পরিবার, সন্তান সমাজের কথা চিন্তা করে একজন নারীকে চরম ধৈর্যের পরিচয় দিতে হয় অথবা কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। একজন শিক্ষিত, সচেতন, কর্মক্ষম নারী তার আত্ম সম্মানে লাগে, এমন আচরণ মেনে নিতে পারে না। আত্ম সম্মানে আঘাত লাগতে লাগতে নারী সচেতন হয়। নিজেকে ভালোবাসতে শুরু করে। নিজের প্রতি যত্নশীল হয়। নিজের একটা জগৎ গড়তে চায় ।নিজেকে ভালো রাখতে চায়।
যুগ যুগ ধরে নারী-পুরুষের বন্ধনেই একটা পরিবার তৈরি হয়। আর এভাবেই বংশপরম্পরায় যে ধারা চলে আসছে তাতেই হয় বংশ বিস্তার। আগমণ হয় নতুন প্রযন্মের।
বিবাহের বন্ধন নামক এই প্রথা না চালু হলে পৃথিবীটা জগাখিচুরী হয়ে যেত। আর এই বিবাহ নামক বন্ধনেই একে অপরের প্রতি আত্মার সম্পর্ক তৈরি হয়, তৈরি হয় ভালোবাসা। আর এভাবেই আসে নতুন প্রজন্ম, রক্তের সম্পর্ক, ভালোবাসার বন্ধন। তাই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সুসম্পর্ক, ভালোবাসার সম্পর্ক একটা পরিবারকে শান্তিময় করে তোলে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে একে অপরের সাথে বোঝা পরাটা অত্যন্ত জরুরী।





