সাক্ষাৎকার

বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা করে এগিয়ে যাবে রানার: হাফিজ

স্টাফ রিপোর্টার:
দেশের অন্যতম শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠি রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান। বাংলাদেশের অটোমোবাইলস ইন্ডাস্ট্রির বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়ে আর পাঁচজনের মত চাকরির চেষ্টা না করে নিজে কিছু করার তাগিদ থেকে গড়ে তুলেন আজকের প্রতিষ্ঠিত রানার গ্রুপ। প্রায় শূন্য থেকেই শুরু করেছিলেন। মূলধন ছিল না। পারিবারিক ব্যাকআপ ছিল না। ছিল শুধু স্বপ্ন। তার সাথে নিষ্ঠা, অক্লান্ত পরিশ্রম আর দূরদর্শিতা। আর তাতেই বাজিমাৎ। শুধু ব্যবসায়ী হওয়া নয়, নিজের জেদ, অদম্য সাহস আর নিরলস চেষ্টায় গড়ে তুলেছেন দেশের প্রথম মোটরসাইকেল প্রস্তুতকারী কোম্পানি রানার অটোমোবাইলস। মোটরসাইকেলে শতভাগ আমদানি নির্ভর দেশকে দিয়েছেন মোটরসাইকেল রপ্তানিকারক দেশের মর্যাদা। সম্প্রতি একান্ত আলাপচারিতায় উঠে এসেছে দেশের মোটরসাইকেল শিল্পের নানাদিক।

 দেশে মোটরসাইকেলের বাজারের আকার কতটুকু।গত ৫ বছরে এখানে কী হারে প্রবৃদ্ধি হয়েছে? পরবর্তী ৫ বছরে কেমন প্রবৃদ্ধি আশা করছেন?

হাফিজুর রহমান খানঃ মোটরসাইকেল এমন একটা সেক্টর, অর্থনীতির গ্রোথের সঙ্গে সঙ্গে যেটা চলে।অর্থনীতির গতি বাড়লে মানুষেরও চলাচল (Movement) বাড়ে, তাদের চলাচলে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার বাড়ে।

গত বছর দেশে প্রায় ৫ লাখ মোটরসাইকেল বিক্রি হয়েছে।সবগুলো ব্র্যান্ড মিলে এটা করেছে। গত ৫ বছরে এটা গ্রো করেছে ২০ শতাংশ হারে। সবাই আশা করছে আগামী ৫ বছরেও ১৫-২০ শতাংশ গ্রো করবে।যদি দেশের অর্থনীতি যেভাবে সম্প্রসারিত হচ্ছে, সেই ধারা বজায় থাকে, অর্থনীতিতে কোনো সঙ্কট দেখা না দেয়, তাহলে মোটরসাইকেল ইন্ডাস্ট্রির এই প্রবৃদ্ধি সম্ভব।

মোটরসাইকেল ইন্ডাস্ট্রির যত ব্যাপ্তি বাড়ছে, তত তা গ্রামে-গঞ্জে, শহরে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে চলে আসছে। নাগালের মধ্যে চলে আসায় এর ব্যবহারও ব্যাপকভাবে বাড়ছে। এদেশে উৎপাদন (ম্যানুফেকচারিং) শুরু হওয়ার কারণে এর মূল্য অনেক কমে এসেছে। আগামীতে মূল্য আরও কমবে। এটি দেশি-বিদেশি সব মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। স্থানীয় উৎপাদকরা কম মূল্যে মোটরসাইকেল দিতে পারায় বিদেশি রপ্তানিকারকরাও মূল্য কমাতে বাধ্য হচ্ছেন।

 

 দেশের বাজারে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত মোটরসাইকেলের শেয়ার কতটুকু

হাফিজুর রহমান খানঃ এখন মোটরসাইকেলের বেশির ভাগই ম্যানুফেকচারড ইন বাংলাদেশ হয়ে গেছে। ব্র্যান্ড যাই হোক না কেন। আমদানির পরিমাণ অনেকটা কমে গেছে। বর্তমানে ৬৫ শতাংশ চাহিদা স্থানীয় কারখানায় উৎপাদিত মোটরসাইকেলের মাধ্যমে পূরণ হচ্ছে। আগামী ২/৩ বছরের মধ্যে তা ৯০ শতাংশে পৌঁছাবে বলে আশা করছি। বর্তমানে প্রায় সব ব্র্যান্ডই চলে এসেছে ম্যানুফেকচারিংয়ে।

 রানার অটোমোইলসের যাত্রা কবে শুরু হয়। বর্তমানে কোম্পানির অবস্থা কি ?

হাফিজুর রহমান খানঃ রানারের যাত্রা শুরু ২০০০ সালে। প্রথমে বিদেশ থেকে মোটরসাইকেল আমদানি করতাম আমরা, পরবর্তীতে, পরবর্তীতে সংযোজন শুরু করি, সেখান থেকে আসি ম্যানুফেক্চারিংয়ে (উৎপাদন)। আমরা কম্পোনেন্ট ম্যানুফেকচার শুরু করেছিলাম ২০০৭ সালে। ২০১১ সালের পুরোপুরি লাইসেন্স পেয়েছি ম্যানুফেকচার করার। তখন থেকে পুরোপুরি ম্যানুফেকচারিং শুরু হয়।

কি কি মডেল এই মুহুর্তে করছেন।কোন মডেলের চাহিদা বেশি। আগামী দিনে কি মডেল উৎপাদন করার পরিকল্পনা আপনাদের আছে

হাফিজুর রহমান খানঃ মোটরসাইকেলে সব সেগমেন্টেই আমরা আছি। অর্থাৎ সব ধরনের মডেলই উৎপাদন করে থাকি আমরা। বর্তমানে আমরা ১১ টির মতো মডেল বাজারজাত করছি। তবে আমরা ১০০ সিসির নিচের সেগমেন্টে, বিশেষ করে ৮০ সিসির মোটরসাইকেলের বাজারে সবচেয়ে শক্তিশালী। দেশের বাজারের প্রায় ৮০ শতাংশই রানারের দখলে। এছাড়া ১০০ সিসি, ১২৫ সিসি, ১৫০ সিসি প্রত্যেকটা সেগমেন্টে আমাদের মডেল আছে। দেশে ১৬৫ সিসির বেশি ক্ষমতার কোনো মোটরসাইকেল উৎপাদনের অনুমতি নেই, তাই আমরা হয়তো এই মুহূর্তে দেড়শ সিসির বেশি ক্ষমতার কোনো মোটরসাইকেল উৎপাদন করতে পারবো না। কিন্তু ১৫০ সিসি থেকে এর নিচের সব সেগমেন্টেই আমরা আরও নতুন মডেলের মোটরসাইকেল নিয়ে আসবো।

আমাদের জনগোষ্ঠির একটি বড় অংশ নারী।যাতায়াতের ক্ষেত্রে তারাই বেশি প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়। তাদের জন্য আপনাদের কী প্রোডাক্ট আছে? ভবিষ্যতে কোনো বিশেষ মডেল বাজারজাত করার পরিকল্পনা আছে কী?

হাফিজুর রহমান খানঃ আমরা এমন একটি মডেল বাজারজাত করছি যেটি ইউনিসেক্স, অর্থাৎ যেটা নারী এবং পুরুষ দু’জনেই ব্যবহার করতে পারবে।নারীদের জন্য সুবিধাজনক কিছু মডেল আমরা ইতোমধ্যে বাজারে এনেছি। আগামীতে আরও নতুন মডেল আসবে।বর্তমান সমাজে অনেক নারী মোটরসাইকেল চালায়। তবে সামাজিক কারণে এখনো তা সীমিত। যারা সাহস করে সমাজিক প্রথা যারা ভাঙ্গছেন তাদেরকে সাধুবাদ জানাই।

, নারী সেগমেন্ট মোটরসাইকেলের প্রবৃদ্ধির একটি বড় জায়গা। নারীদের দ্বিধা,লজ্জা যখন কেটে যাবে, সমাজের মানুষ যখন আর বাঁকাভাবে তাকাবে না তখন নিশ্চয়ই নারীদের মোটরসাইকেল ব্যবহার অনেক বেড়ে যাবে

হাফিজুর রহমান খানঃ নিশ্চয়ই। আমরা দেখেছি, রাইড শেয়ারিং চালু হওয়ার পর মোটরসাইকেলের ব্যবহার অল্প সময়ে অনেক বেড়ে গেছে। নারীরা অবাধে ব্যবহার করতে পারলেও এর ব্যবহার অনেক বাড়বে।

তবে মোটরসাইকেলের মূল্যের সঙ্গেও এর প্রবৃদ্ধি বা ব্যবহার বৃদ্ধির সম্পর্ক আছে। বর্তমানে মধ্যবিত্ত বা তার চেয়ে একটু স্বচ্ছল যারা, তারাই মূলত মোটরসাইকেল ব্যবহার করছেন। আমাদের মতে, সবার কাছে এফোর্ডেবল হওয়া উচিত।মোটরসাইকেলের দাম আরেক কমলে তুলনামুলক কম আয়ের মানুষজনও তা ব্যবহার করতে পারবে।আর প্রয়োজনটা কিন্তু তাদেরই বেশি। মূল্যের দিক থেকে মোটরসাইকেল যখন আরও সাশ্রয়ী হবে, যখন শ্রমিকরাও মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে সক্ষম হবেন, তখনই আসলে এখানে প্রকৃত প্রবৃদ্ধি হবে।

 রানার দেশের প্রথম এবং একমাত্র কোম্পানি যারা মোটরসাইকেল রপ্তানি করছে। বর্তমানে কোন কোন বাজারে মটরসাইকেল রপ্তানি করছে এবং ভবিষ্যতে কোন বাজারে রপ্তানির সম্ভবনা রয়েছে ?

হাফিজুর রহমান খানঃ আমরা প্রথম নেপালের বাজারে মোটরসাইকেল রপ্তানি করেছি।তারপর আমাদের মোটরসাইকেল গেছে ভুটানের বাজারে। আমরা কিছু স্যাম্পল দুবাইয়ে পাঠিয়েছিলাম, আফ্রিকান বাজারে ডিসপ্লে করার জন্য। সেখান থেকে এখনো সাড়া পাওয়া যায়নি, আমরা কাজ করে যাচ্ছি। অদূর ভবিষ্যতে শ্রীলঙ্কার বাজারে প্রবেশের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। তাছাড়া আফ্রিকান কয়েকটি দেশে রপ্তানির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি। আর এ বছরই এর সুফল পাবো বলে আশা করছি।

রপ্তানির শর্তে বাণিজ্য মন্ত্রনালয় ৫০০ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল উৎপাদনের অনুমোদন দিয়েছে। এখানে কতটুকু সম্ভাবনা দেখেন?

হাফিজুর রহমান খানঃ আমরা সীমিত পরিসরে রপ্তানি করছে। যেহেতু এই সেগমেন্টের মোটরসাইকেল দেশের বাজারে বিক্রি করার অনুমতি নেই, তাই আগে আমরা আমদানিকারকদের কাছ থেকে চাহিদা নিচ্ছি। পরে সেই চাহিদার বিপরীতে মোটরসাইকেল উৎপাদন করছি।

তবে এই ক্ষেত্রে কিছু টেকনিক্যাল সীমাবদ্ধতা রয়েছে। স্থানীয় বাজারে উচ্চ সিসির মোটরসাইকেল বিক্রি করতে না পারায় বিদেশী ক্রেতাদের মনে নানা প্রশ্ন থেকে যায়। তাদের কেউ কেউ এমনটি বলেছেন, যে মোটরসাইকেল তোমাদের দেশে চালাও না, সেগুলো আমাদের দেশে বিক্রি করছো, এগুলো তো পরীক্ষিত নয়। দেশে এই মোটরসাইকেল বিক্রি ও ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হলে বিদেশী ক্রেতাদের আস্থা অনেক বাড়তো। তাতে রপ্তানিতেও সুবিধা হতো। যা-ই হোক, আমরা এই সীমাবদ্ধতার মধ্যেই রপ্তানি বাড়ানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। আশা করছি, এক সময় বেশ ভালো সাফল্য আসবে।

সরকার মোটরসাইকেল ইন্ডাস্ট্রির জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। এই শিল্পের প্রতি সরকার অনেকটা আন্তরিক বলে মনে হচ্ছে। সব মিলিয়ে কী মনে হয় আপনার?

হাফিজুর রহমান খানঃ আমি খুবই খুশি যে,সরকার চাচ্ছেন এই ইন্ডাস্ট্রি দেশে গড়ে উঠুক। সরকার খুবই আন্তরিক এই ইন্ডাস্ট্রির প্রতি।এজন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।আমরা যা যা দাবি করছি, আবেদন করছি,অনুরোধ করছি তার প্রায় সবই রাখা হয়েছে। সব সময় সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।সরকার শিল্পবান্ধব পরিবেশ তৈরী করছে।সবাইকে এনকারেজ করছে।যাদের জন্য কঠিন হচ্ছে তাদের জন্য সহজ করে দিচ্ছে। কিছুদিন আগে পলিসি হয়েছিল, চেচিস উৎপাদন করলে ম্যানুফ্যাকচার হবে, চেচিস করতে গিয়ে অনেকে অনেক সমস্যায় পড়েছে।পরবর্তীতে সরকার তাদের কে বলেছে এটা পর্যায়ক্রমে করলেই হবে।এরকম অনেক কিছু সহজ করে দিচ্ছে, এতে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরী হয়েছে।

একটা সময় রানার একা মোটরসাইকেল উৎপাদন করতো। নিজেরা উৎপাদন করলে কিছুটা কম দামে বিক্রি করা যায় বলে রানার বাজারে প্রতিযোগিতায় বিছু বাড়তি সুবিধা পেত। এখন অ্ন্যরাও স্থানীয়ভাবে প্রডিউস করবে। এর ফলে যদি সমতার জায়গায় চলে আসে সেখানে আপনাদের পাইওনিয়ার অবস্থা ধরে রাখা ব্যাপারে কতটুকু আত্মবিশ্বাসী। কোন কৌশলে আপনারা সেটা করবেন?

হাফিজুর রহমান খানঃ কম্পিটিশন পারফেকশন আনে। কম্পিটিশন কষ্ট রিডাকশনের রাস্তা তৈরী করে। কম্পিটিশন ছাড়া কোনো ব্যবসা টিকে থাকতে পারে না। এটা প্রয়োজন তার নিজের ইমপ্রুভমেন্টের জন্য। এখন দেশের বাজারে নয় আমরা যেহেতু এক্সপোর্ট মার্কেটে গেছি এখন সারা দুনিয়ার সঙ্গে কম্পিটিশন করতে হচ্ছে।নিজেদের এনালাইসিস করছি অন্যরা যদি এই দামে দিতে পারে তাহলে আমরা কেন দিতে পারছি না। আমার কোথায় ত্রুটি আছে। এটা আমাদের আরও এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে। আমরা সরকারের নিকট থেকে এমন কোনো কিছু চাই না যেটা আমাদের জন্য একার হবে।সেটা সবার হবে। সবাই মিলে চেষ্টা করলে, সবাই প্রতিযোগিতা করলে এই সেক্টরের অবস্থান আরও সুসংহত হবে। কম্পিটিশনের মধ্যে দিয়ে আমাদের মার্কেট শেয়ার বাড়ছে।শেষ তিন বছর আমাদের গ্রোথ আছে। শুধু দেশে নয়, বিশ্ববাজারেও কম্পিটিশন করে এগিয়ে যেতে চাই। করতে চাই।

 দুই দশক আগেও কল্পনা করা যায়নি আমাদের অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রির এতটা গ্রোথ হবে,এতো দ্রুত উন্নয়ন করবে, নিজেরা মোটরসাইকেল উৎপাদন করবো। চ্যালেঞ্জ নিয়ে আপনি প্রমাণ করে দিয়েছেন সেটা সম্ভব্। আপনি কি মনে করেন আমাদের এখানে ফোর হুইলার (গাড়ি) তৈরী করা সম্ভব। আমাদের মার্কেট সাইজ ছোট বলে প্রশ্নটা আসছে?

হাফিজুর রহমান খানঃ আমাদের মার্কেট সাইজ ছোট নয়।যদি পপুলেশন দিয়ে মার্কেট সাইজ নির্ধারণ করেন। তাহলে আমাদের মার্কেট সাইজ অনেক বড়। ইউরোপের অনেকগুলো দেশ একসঙ্গে জোড়া দিলেও আমাদের পপুলেশন সাইজ হবে না। আমাদের বড় গাড়ির ক্ষেত্রে যদি বলেন মার্কেট সাইজের স্বল্পতা হচ্ছে, আমাদের যত কিলোমিটার রাস্তা আছে, তার বড় অংশই গাড়ি চলার উপযোগী নয়। আমাদের প্রায় ৩ লাখ কিলোমিটার রাস্তা আছে। তার মধ্যে দেড় লাখ এখনো কাচা। আর যে দেড় লাখ কিলোমিটার পাকা রাস্তা আছে সেগুলোর মধ্যে ২০ হাজার কিলোমিটার হাইওয়ে এবং ইন্টারডিস্ট্রিক কানেকটিং রাস্তা। আর বেশির ভাগ রাস্তা উপজেলা থেকে গ্রামের ভেতরে চলে গেছে। সেগুলো ৮-১০ ফুট পর্যন্ত প্রশস্ত। এখনো পর্যন্ত সেগুলো বড় গাড়ি চলাচল উপযুক্ত হয়নি। তবে এগুলো যখন পর্যায়ক্রমে বড় হতে থাকবে তখন এর চাহিদা বাড়বে।এখনও যে মার্কেট সাইজ তাতে কিন্তু অবশ্য ম্যানুফেচারিং সম্ভব। সেটা প্রাইভেট ভেহিক্যাল কার হোক বা কমার্শিয়াল ভেহিক্যাল হোক। ছোট দিয়ে শুরু করলে আস্তে আস্তে বড় দিকে যাওয়া যাবে।ম্যানুফেকচারিং শুরু করলে রাতারাতি কিন্তু ম্যানুফেকচারিং টেকনোলজি গড়ে উঠা সম্ভব নয়। নতুন করে শুরু করলে ধীরে ধীরে কস্ট কমাতে হবে। এখন ম্যানুফেকচারিংয়ে হাত দেওয়ার সময় হয়ে গেছে।

সরকারে দিক দিয়ে ফোর হুইলারের জন্য পলিসি সাপোর্ট দরকার। আমাদানিকারকদের সঙ্গে যাতে কম্পিটিশনে টিকে থাকতে পারে সে ধরনের পলিসি সাপোর্ট দিলেই হয়ে যাবে।

 

চিত্রদেশ ডটকম//এলএইচ//

আরও

Leave a Reply

Back to top button