প্রধান সংবাদ

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালে পানি নেই, দুর্ভোগে রোগীরা

স্টাফ রিপোর্টার:
পানি আসছে না জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালের কোনো কলে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে হাসপাতালের রোগীরা। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে হাসপাতালে পানির এই সংকট দেখা দেয়।

জানা যায়, হাসপাতালের পাম্পে পানির বদলে বালু উঠে আসছে। কর্মচারীরা সেখানকার পাম্পে গিয়ে দেখেন, সেখানে পানির বদলে বালু উঠছে। গণপূর্তের প্রকৌশলীদের বিষয়টি জানানো হলে তারা সরেজমিন অনুসন্ধান করে জানান, পানির স্তর নেমে যাওয়ায় পাম্প দিয়ে পানির বদলে বালু উঠছে।

এই বিষয়ে গণপূর্তের উপসহকারী প্রকৌশলী জুলফিকার আরেফিন বলেন, ‘ঢাকা শহরে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অনেকটা নেমে গেছে। জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে আমাদের যে পাম্পটি আছে, ওটার পানির স্তর নিচে নেমে গেছে। এই কারণে পাম্প থেকে পানির বদলে বালু উঠছে। স্থায়ী সমাধানের জন্য নতুন করে গভীর নলকূপ খনন শুরু হয়েছে। এই কাজ শেষ করতে আরও পাঁচ থেকে সাত দিন সময় লাগবে।’

বর্তমানে হাসপাতালের রোগী ও তাদের স্বজনরা বাইরে থেকে আনা পানিতে প্রয়োজন মেটাচ্ছেন। খাওয়ার পানির চাহিদা বাইরে থেকে এনে মেটালেও তারা অন্যান্য প্রয়োজন মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন।

রোগী ও স্বজনেরা জানান, সারাদিন পানি ছিল না। চরম দুর্ভোগে রয়েছেন তারা। বাইরে থেকে পানির বোতল কিনে আনছেন খাওয়ার জন্য। তবে পানি না থাকায় গোসল করা সম্ভব হচ্ছে না।

এক রোগীর স্বজন ইয়াসিন বলেন, ‘হাসপাতালে পানি নেই। গোসল করতে পারিনি। বাথরুমগুলো ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। রোগীসহ আমরা অনেক কষ্টের মধ্যে আছি।’

পাশের জাতীয় কিডনি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল থেকে সাময়িকভাবে পানি আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে জানিয়ে গণপূর্তের প্রকৌশলী জুলফিকার আরেফিন বলেন, ‘কিডনি ইনস্টিটিউট থেকে পাইপের মাধ্যমে জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে সাময়িকভাবে পানি সরবরাহ করা হবে।’

এই বিষয়ে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক মীর জামাল উদ্দিন বলেন, ‘গভীর নলকূপে পানির স্তর নিচে নেমে গেছে। তাই পাম্প চালু করলেও পানি উঠছে না। গণপূর্তের কর্মকর্তারা সংকট সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।’

চিত্রদেশ//এফটি//

Tags

আরও

Leave a Reply

Back to top button